শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৪:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আগামী ১৩ই অক্টোবর পিরোজপুর জেলা ছাত্র ইউনিয়নের ২২ তম কাউন্সিল ছাত্র ইউনিয়ন মৌলভীবাজার শহর শাখার নতুন কমিটি : সভাপতি ফাহিম,সম্পাদক তারিন সমাজে পিছিয়ে পরা নারীদের নিয়ে কাজ করবে পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি : রুবাইয়াৎ লতিফ পিরোজপুরে আ.লীগ নেতার মেয়ের বিয়ে ভেঙে দেয়ার অভিযোগ ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে সুন্দরবনের হরিণ শিকার করে মাংস নিয়ে পাচারের সময় আটক-১ মঠবাড়িয়ায় জমি নিয়ে বিরোধে বসত ঘরে হামলা : থানায় মামলা বাগেরহাটে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ভাসমান বেডে সবজি চাষ পিরোজপুরে বাড়ছে মাল্টা চাষ : স্বাবলম্বী হয়েছেন কয়েক’শ চাষী পড়ুন কোন বয়সে মেয়েদের যৌন চাহিদা সব থেকে হয় গোপন প্রেম-বিয়েতে ব্যস্ত চলচ্চিত্রের বেশির ভাগ নায়িকারা

করোনায় প্লাস্টিকের চায়ের কাপের ব্যবহার বাড়লেও : রয়েছে পরিবেশ দূষনের আশঙ্কা

এম এ রহিম,বেনাপোল
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২০
  • ১১৮ জন দেখেছেন

মরনব্যাধি মহামারী করোনা সংক্রমন প্রতিরোধে’প্লাস্টিকের চায়ের কাপ’ ব্যবহারে জনপ্রিয়তা বাড়লেও ব্যবহার শেষে যত্রতত্র ফেলায় পরিবেশ দূষনের আশঙ্কা করছেন পরিবেশবিদরা। অধিকাংশ চায়ের দোকানের পাশে নেই ডাষ্টবিন।

যত্রতত্র ফেলা হচেছ এসবপাত্র।পথচারিরা পড়ছেন বিপাকে।নেই স্যানিটারী কর্তৃপক্ষের নজরদারী। খেয়ালখুশিমত হচেছ ব্যাবহার।করোনা ভাইরাস মহামারিতে শার্শা উপজেলার সর্বত্র বেড়েছে প্লাস্টিকের চায়ের কাপের ব্যবহার।যা ব্যবহার শেষে ফেলা হচ্ছে যত্রতত্র। ফলে দূষন বাড়ছে পরিবেশে।ঝুকিবাড়ছে স্বাস্থ্যের।

ভারতীয চায়ের কাফও আসছে সীমান্ত গলিয়ে। প্লাস্টিকের এইসব কাপের কারনে কতটা পরিবেশ দুষন হচ্ছে এবং এর ব্যবহার কতটা স্বাস্থ্যসম্মত তাও জানে না ব্যবহারকারীরা। করোনার শুরু থেকে সংক্রমণ প্রতিরোধে বেনাপোল,শার্শা,নাভারন ও বাগআচড়া বাজারসহ গ্রামাঞ্চলের মানুষ ব্যবহার শুরু করে প্লাস্টিকের চায়ের কাপ।

বিভিন্ন চায়ের দোকানে এখন হরহামেশাই ব্যবহৃত হচ্ছে এসব প্লাস্টিক পন্য।একবার ব্যবহৃত এই পাত্রগুলো ব্যবহার শেষে ফেলা হচ্ছে পাশের পুকুর,ডোবা,ড্রেন কিংবা রাস্তার পাশে।ফলে দুষণ হচ্ছে পরিবেশ।ময়লা আবর্জনারস্তুপে পরিনত হচ্ছে এলাকা 

ব্যবসায়ী ও স্থীনীয়রা বলছেন,ক্রেতারা ওয়ান টাইম এসব পাত্র ছাড়া চা খাচ্ছেন না। অতিরিক্ত খরচ হলেও এসব পাত্রে চা পরিবেশন করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। তবে ফেলার সঠিক স্থান না থাকায় যত্রতত্র ফেলতে হচ্ছে তাদের।

বেনাপোলের চা বি্ক্রেতা আরিফুল ইলমামও শার্শার চা দোকানি জুলফিকার আলি বলেন,”কড়ি ও কাঁচের কাপে চা বেঁচতাম।করোনা শুরু হলি প্রশাসনের লোক এসে এতে চা বেঁচতি বারন করে গেছে।তখন থেকে প্লাস্টিকের কাপে চা বেচ্ছি।অনেকে  পুরোনো কাপে চা খাতি চাচ্ছে,তবে প্রশাসনের ভয়ে দিতি সাহস হচ্ছে না।” জামতলা বাজারের চা দোকানি আব্দুল কাদের বলেন,করোনা শুরুর পর থেকে ওয়ান টাইম প্লাস্টিকের কাপের ব্যবহার বেড়েছে। আগে চায়ের কাপে দিতাম। এখন অনেকেই কাপে চা খেতে চায় না। বাধ্যহয়েই ওয়ান টাইম কাপ ব্যবহার করছি। শার্শার আব্দুল কাদেরও নাভারনের খলিলুর রহমান বলেন,ধরতি কষ্ট হয়, অনেক সময় গাল পুড়ে যায়।তারপরও করোনার ভয়ে প্লাস্টিকের কাপে চা খাই।এর চেয়ে মাটির কাপ ভাল।ইন্ডিয়ায় তো ওটাই চলে।এতে অন্তত পরিবেশ দূষন হতো না। বেনাপোল বাস টার্মিনাল এলাকার এক চা দোকানি শাহ জামাল বলেন,ওয়ান টাইম কাপে চা খাওয়ার পর তারা যেখানে সেখানে ছুড়ে ফেলে দিচ্ছে।নির্ধারিত পাত্র রাখলেও তা ব্যবহার করছেন না তারা। 

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওশেনিক অ্যান্ড অ্যাটমোসফেরিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এক গবেষণায় বলেছে, মুদি দোকান থেকে কেনা পণ্য বহন করার জন্য যেসব ব্যাগ ব্যবহার করা হয়,সেগুলো প্রকৃতিতে মিশে যেতে ২০ বছর সময় লাগে।

এদিকে এ ধরণের পাত্র ব্যবহারের কারণে পরিবেশ দুষণ হচ্ছে উল্লেখ করে পরিবেশবিদ নাভারন ফজিলাতুন্নেছা মহিলা কলেজের ভূগোল ও পরিবেশ বিষয়ের অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বুলি বলেন,সঠিক বর্জ্র ব্যবস্থাপনা না করা হলে এগুলো জমে পরিবেশের উপর মারাত্বক প্রভাব পড়বে।এক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদ,পৌরসভা,বাজার কমিটির ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।নির্দিষ্ট একটি স্থানে ডাম্পিং করতে প্রশাসনিক নির্দেশনা থাকলে ব্যবহারে কোন অসুবিধা থাকবে না।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কুমার মন্ডল বলেন,করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে ওয়ান টাইম কাপ ব্যবহার উপকারি হলেও তার ব্যবস্থাপনা সঠিক না হওয়ার কারণে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এক্ষেত্রে আমরা বিভিন্ন স্থানে প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছি।সেই সাথে পরিবেশ দুষণ প্রতিরোধে আমরা বিভিন্ন সময় অভিযান চালাচ্ছি।

শেয়ার করুন

আরও সংবাদ পড়ুন
All rights reserved © 2020 prothinkbd (এই সাইটের নিউজ, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া কপি করা থেকে বিরত থাকুন)
Design & Developed By: NCB IT
11223
Shares