মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:১০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
পিরোজপুর টোনা ইউনিয়ন আ’লীগের কমিটি গঠন : হারুন খান সভাপতি মাসুম খান সম্পাদক পিরোজপুরে শহীদ নূর হোসেন দিবসে ছাত্র ইউনিয়নের শ্রদ্ধা পিরোজপুরের স্বরুপকাঠী বন্দর বিধ্বস্ত দিবসের সমাবেশে ছাত্র ইউনিয়নের সংহতি মহানবী (সা.)-কে কটাক্ষ করে ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন : প্রতিবাদে চিংড়াখালীতে বিক্ষোভ পিরোজপুরে অতি দরিদ্র দলিত জনগোষ্ঠীর অবস্থান ও করণীয় বিষয়ে সংলাপ অনুষ্ঠিত ইন্দুরকানীতে ইউনিয়ন চেয়ারম্যানকে নিয়ে সমালোচনা : ওয়ার্ড আ’লীগের সম্পাদক’কে পিটিয়ে আহত পিরোজপুরে শাক-সবজি, চাল ডাল তেলের দাম কমানোর দাবিতে ছাত্র ইউনিয়নের মানববন্ধন পিরোজপুর পৌরসভার কাউন্সিলর প্রার্থী : তরুণ ছাত্রনেতা শওকত পিরোজপুরে রাজাকার পুত্রের বিরুদ্ধে মসজিদের টাকা আত্মসাৎ : গ্রামবাসীর মানববন্ধন আগামী ১৩ই অক্টোবর পিরোজপুর জেলা ছাত্র ইউনিয়নের ২২ তম কাউন্সিল

ছোট কাঁধে বড় দায়িত্ব,সংসারের হাল ধরতে ১০ বছরে ইমন সড়কে

বরগুনা প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৪ জুন, ২০২০
  • ৩৬৪ জন দেখেছেন

বরগুনার তালতলী উপজেলার বিভিন্ন সড়কে দেখা মিলে অনেক শিশু অটো গাড়ি চালক। নতুন করে দেখা মিলে ১০ বছর বয়সী এক অটোরিক্সা চালকের। নাম তার ইমন, কথা হয় ইমনের সাথে, তার বাবা অসুস্থ হয়ে বিছানায়। তাই সংসারের হাল আমাকেই ধরতে হয়েছে।

করোনা ভাইরাসের কারনে স্কুল বর্তমানে বন্ধ। তাই গাড়ি চালিয়ে যে টাকা পাই, তা দিয়েই খেয়ে না খেয়ে দিন কাটে তার পরিবারের ।

শিশু বয়সেই বড় দায়িত্ব ইমনের কাঁধে। যে সময়টায় সহপাঠীদের সঙ্গে স্কুলে-খেলাধুলায় কাটানোর কথা, সে বয়সেই পরিশ্রম করতে হচ্ছে। প্রতিদিন রোজগারের চিন্তায় গাড়ি নিয়ে পথে পথে ঘুরতে হচ্ছে।

উপজেলার ঠংপাড়া এলাকার নসু মৃধার বাড়ির পাশেই ছোট্ট ঘরে বাবা-মা কলেজ পরুয়া মেঝ বোন এবং তিন বছরের ছোট ভাইকে নিয়ে বসবাস ইমনের । বর্তমানে ছাতন পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ইমন রোল নং (১৫)।

ইমন জানায়, তাদের পুরাতন বাড়ি বরগুনা জেলার পরীর খাল এলাকায়। মেঝবোন সাথী ও ইমনের লেখাপড়ার জন্য বাবার এখানে থাকা। সংসারে একমাত্র উপার্জনকারী বাবাই ছিল, কিন্তু বাবা কিছু দিন আগে অসুস্থ হলে । মায়ের পক্ষে কাজ করে তিনবেলা খাওয়া, পড়াশুনার খরচ চালানো সম্ভব না। তাই বসে না থেকে বাবার গাড়ি নিয়ে উপার্জনে নেমেছে। পড়াশুনা করে কোনো একটা চাকরি করা সম্ভব, তাই শত কষ্ট হলেও স্কুল খুলে দিলে লেখা পড়া চালিয়ে যাবে।

ইমন আরও জানায়, সকাল থেকে ১১টা পর্যন্ত গাড়ি চালিয়ে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা ইনকাম হয়। টাকা মায়ের কাছে তুলে দেই সে টাকা দিয়ে তেল-নুন, চাল-ডাল কেনা হয়। লোডশেডিং হলে গাড়ি চালাতে না পারলে কখনো আবার সবাইকে না খেয়েও কাটাতে হয়।

ইমন আরো জানায়, গাড়ি চালাতে গিয়ে অনেক ক্ষেত্রেই অনেক যাত্রী ও পথচারীদের দুর্ব্যবহার ও শিকার হতে হয়। আবার অনেকে আদর ও করে ভালো ব্যবহার করে।

কোমলমতি এই শিশুটি তার পরিবার সহ বেঁচে থাকার যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে, তার নিজের জীবন নিয়ে ভাবনা আছে, দায়িত্ব আছে তার পরিবারের , তাই তো তাকে রোজগারের জন্য ছুটতে হয়। সংসারের টানাপোড়নে তার এই স্বপ্ন হারিয়ে যাবে নাতো? ইমনের লেখাপড়া যাতে বাধাগ্রস্ত না হয় সেইজন্য সমাজের নজর রাখা প্রয়োজন।

শেয়ার করুন

আরও সংবাদ পড়ুন
All rights reserved © 2020 prothinkbd (এই সাইটের নিউজ, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া কপি করা থেকে বিরত থাকুন)
Design & Developed By: NCB IT
11223
Shares