শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২০, ০২:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ইউটিউব চ্যানেলে প্রতিবন্ধী নারীদের সাক্ষাৎকার নিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ শুরবাড়ি বেড়াতে এসে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা : জামাই রফিকুল গ্রেফতার সুদ কারবারীদের নির্যাতনে স্ত্রী করেছেন আত্মহত্যা ভিটেবাড়ি হারিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন শিক্ষক বানারীপাড়ায় ব্রিজ যাচ্ছে খালে,নজরে আসেনি প্রশাসন বা জনপ্রতিনিধিদের নিজ সন্তানরা বাবাকে ফেলে রাখল গোয়াল ঘরে,পুলিশের হস্তক্ষেপে ঘরে জায়গা পেলেন বৃদ্ধ জায়েদ-পপির বিয়ের গুঞ্জন কেশবপুরে যৌত্যুকের বলির শিকার নব-বধূ সালমা পশ্চিম পাড়ায় হযরত আবু বক্কর (রাঃ) জামে মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু আমি মেজর সিনহাকে কখনো দেখিনি,চিনিও না : কোবরা চালককে অচেতন করে অটোবাইক নিয়ে পালানোর সময় নারী সহ আটক ৩

করোনার প্রভাবে অনিশ্চয়তায় রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র

মামুন আহমেদ,বাগেরহাট
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৮ জুন, ২০২০
  • ১২৫ জন দেখেছেন

প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের প্রভাবে বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় নির্মানাধীন ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ চলছে ধীরগতিতে। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে স্বাস্থ্য ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় ভারতীয় শ্রমিকরা প্রকল্প এলাকার নির্মান কাজে অনিহা দেখানোয় এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সরকারের এই বিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্মান কাজ চলতি অর্থ বছরের জুন পর্যন্ত ৪৯ শতাংশ শেষ হয়েছে।

এখনো ৫১ শতাংশ কাজ অসম্পূর্ণ রয়েছে। ফলে আগামী ২০২১ সালে সরকারের বিদ্যুৎখাতের বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্প শেষ করে উৎপাদনে যাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে কমিশনিং এবং আগস্টে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি জাতীয় গ্রীডে যুক্ত হয়ে বানিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাওয়ার কথা ছিল।

বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফেন্ডশীপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রাইভেট) লিমিটেডের উপ প্রকল্প পরিচালক মো. রেজাউল করিম বলেন, রামপালে নির্মানাধীন তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৬৬০ মেগাওয়াট করে দুটি ইউনিটের কাজ পুরোদমে চলছিল। এখানে সরকারের নিয়োগ করা ১৩টি প্রাইভেট কোম্পানির প্রায় ছয় হাজার শ্রমিক নিয়মিত কাজ করছিল। এরমধ্যে ভারতীয় অভিজ্ঞ শ্রমিকই রয়েছে দেড় হাজারের বেশি।

গত মার্চ মাসে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ মহামারি আকার ধারন করার পর এই প্রকল্প এলাকার উন্নয়ন কাজে ধীরগতি শুরু হয়। স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে ভারতীয় শ্রমিকরা গত মাসে দেশে ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে। তারা দেশে ফিরতে তাদের নিয়োগ দেয়া কোম্পানি মালিকদের চাপ দিতে থাকলে এই প্রকল্প এলাকার উন্নয়ন কাজ বন্ধ রাখতে হয়।

গত ২৭ ও ২৮ মে এবং ২ জুন তিন দফায় ৬০১ জন শ্রমিককে তাদের নিয়োগ করা কোম্পানি নিজস্ব খরচে বিশেষ বিমানে করে দেশে ফেরত পাঠিয়েছে। এখন প্রকল্প এলাকায় উন্নয়ন কাজ একেবারেই বন্ধ হয়ে আছে। সম্প্রতি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে স্বাস্থ্য ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় ভারতীয় শ্রমিকরা প্রকল্প এলাকার নির্মান কাজে অনিহা দেখানোয় এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সরকারের এই বিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্মান কাজ চলতি অর্থ বছরের জুন পর্যন্ত ৪৯ শতাংশ শেষ হয়েছে।

এখনো ৫১ শতাংশ কাজ অসম্পূর্ণ রয়েছে। ফলে আগামী ২০২১ সালে সরকারের বিদ্যুৎখাতের বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্প শেষ করে উৎপাদনে যাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে কমিশনিং এবং আগস্টে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি জাতীয় গ্রীডে যুক্ত হয়ে বানিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাওয়ার কথা থাকলেও তা আর সম্ভব হচ্ছেনা।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশীপ পাওয়ার কোম্পানী (প্রাইভেট) লিমিটেড যৌথভাবে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মান করছে। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০১৩ সালের ৮ অক্টোবর বাংলাদেশ ভারত সরকার যৌথভাবে সুন্দরবন সংলগ্ন বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার সাপমারি-কাটাখালী ও কৈর্গদাশকাঠী এলাকায় ১৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন দুটি ইউনিট নির্মানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে।

১৮৩৪ একর জমির উপর প্রায় ১২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে।

শেয়ার করুন

আরও সংবাদ পড়ুন
All rights reserved © 2020 prothinkbd (এই সাইটের নিউজ, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া কপি করা থেকে বিরত থাকুন)
Design & Developed By: NCB IT
11223
Shares